**আমার নাম নাদিয়া – আরও গভীর রাত**
দেয়ালে হেলান দিয়ে আমরা দুজন যেন এক হয়ে গেছি। রিফাতের হাত আমার শাড়ির কুঁচি পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছে—আঙুলগুলো আমার কোমরের নিচে, ত্বকের ওপর দিয়ে আগুনের মতো ঘুরছে। আমার শ্বাস ভারী, বুক উঠছে-নামছে তার বুকের সাথে মিলে।
সে আমার কানের কাছে মুখ নামিয়ে ফিসফিস করল,
“নাদিয়া... তোর শরীরটা আগুন। আমি পুড়ে যাচ্ছি।”
আমি তার ঠোঁট কামড়ে ধরলাম—হালকা, কিন্তু যথেষ্ট জোরে যাতে সে কেঁপে ওঠে। তার হাত আমার পিঠ বেয়ে নিচে নামল, শাড়ির নিচে ঢুকে আমার নিতম্বে চাপ দিল। আমি তার কোমর জড়িয়ে ধরে টেনে নিলাম—আমাদের শরীর এখন একদম লেগে আছে, কোনো ফাঁক নেই।
তার ঠোঁট আমার গলা থেকে নিচে নামছে... কলারবোনের কাছে থামল, তারপর আরও নিচে। শাড়ির আঁচল পড়ে গেল মাটিতে। আমার ব্লাউজের হুক খুলতে খুলতে সে আমার চোখে চোখ রাখল—চোখে লোভ, ভালোবাসা, আর একটা জ্বলন্ত আকাঙ্ক্ষা।
“তোকে পুরোটা চাই, নাদিয়া। এখনই।”
আমি তার টি-শার্টের নিচে হাত ঢুকিয়ে তার পিঠে নখ দিয়ে আঁচড় কাটলাম। সে একটা গোঙানি দিয়ে আমাকে আরও জোরে চেপে ধরল। তার হাত আমার ব্লাউজ পুরো খুলে ফেলল—ঠান্ডা হাওয়া আমার ত্বকে লাগতেই আমি কেঁপে উঠলাম। কিন্তু তার গরম শ্বাস আর ঠোঁট সব ঠান্ডা উড়িয়ে দিচ্ছে।
সে আমাকে তুলে নিল—আমার পা তার কোমরে জড়িয়ে গেল। দেয়ালে আমাকে চেপে ধরে সে আবার ঠোঁটে ঠোঁট মিলাল—এবার জিভের খেলা শুরু হলো, গভীর, ভিজে, উন্মাদ। আমার হাত তার চুলে ঢুকে টেনে ধরল, তার হাত আমার স্তনের ওপর দিয়ে ঘুরছে, আঙুল দিয়ে চিমটি কাটছে—আমি চাপা শব্দ করে উঠলাম তার মুখের ভেতর।
“নাদিয়া...” সে আমার নামটা বারবার বলছে, যেন মন্ত্র পড়ছে। তার হাত নিচে নামছে, শাড়ির পেটিকোটের ফিতা খুলছে। আমি তার কানে ফিসফিস করলাম—
“আমাকেও তোকে পুরোটা চাই... এখন।”
চাঁদের আলোয় আমাদের ছায়া দেয়ালে লম্বা হয়ে পড়েছে। হাওয়া আমাদের ঘাম মিশিয়ে নিচ্ছে। তার শরীর আমার শরীরে ঢুকে যাচ্ছে—ধীরে, গভীরে, একদম শেষ সীমা পর্যন্ত। আমরা দুজনেই একসাথে গোঙালাম।
রাতটা আরও গভীর হচ্ছে। আমাদের শ্বাস, আমাদের শব্দ, আমাদের স্পর্শ—সব মিলে একটা আগুনের ঝড়।
আমার নাম নাদিয়া।
আর এই রাতে এই নামটা তার শরীরে, তার রক্তে, তার প্রতিটা স্পর্শে চিরকালের জন্য লেখা হয়ে গেল।
